খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ২০ আশ্বিন, ১৪৩৩

পূবালী ব্যাংকের কার্ডধারীরা ইউনাইটেড হেলথকেয়ারে পাবেন ২০ শতাংশ ছাড়

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ৪:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পূবালী ব্যাংকের কার্ডধারীরা ইউনাইটেড হেলথকেয়ারে পাবেন ২০ শতাংশ ছাড়

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

পূবালী ব্যাংক পিএলসি ও ইউনাইটেড হেলথকেয়ার সার্ভিসেস লিমিটেডের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। একই সঙ্গে দুই প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে ক্রেডিট কার্ড ও অন্যান্য ব্যাংকিং পণ্য বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছে।

সম্প্রতি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার এবং গ্রাহকদের উন্নত ব্যাংকিং সুবিধা ও সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে এ সমঝোতা স্মারক সই করা হয়। অনুষ্ঠানে পূবালী ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাহনেওয়াজ খান এবং ইউনাইটেড হেলথকেয়ার সার্ভিসেসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফয়জুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

চুক্তির আওতায় ইউনাইটেড হেলথকেয়ারের সব চিকিৎসক ও কর্মী পূবালী ব্যাংক থেকে কমপ্লিমেন্টারি ক্রেডিট কার্ডসহ অন্যান্য ব্যাংকিং সুবিধা পাবেন।

এ ছাড়া পূবালী ব্যাংকের সব কার্ডধারী ইউনাইটেড হেলথকেয়ারে প্যাথলজিক্যাল ও রেডিওলজিক্যাল পরীক্ষার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পাবেন।

অনুষ্ঠানে ইউনাইটেড হেলথকেয়ার সার্ভিসেসের চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার আবু রায়হান আল বেরুনী, সহকারী মহাব্যবস্থাপক সুব্রত কুমার শুভ এবং করপোরেট অ্যাফেয়ার্স প্রধান তারেক সামি রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পূবালী ব্যাংকের পক্ষ থেকে মহাব্যবস্থাপক ও গুলশান করপোরেট শাখার প্রধান সুকান্ত চন্দ্র বণিক, উপমহাব্যবস্থাপক ও কার্ড বিজনেস ডিভিশনের প্রধান এন.এম. ফিরোজ কামাল, উপমহাব্যবস্থাপক ও গুলশান করপোরেট শাখার অ্যাডভান্স ইনচার্জ মো. আবু নাসার, সহকারী মহাব্যবস্থাপক ও কার্ড সেলস প্রধান মোসাব্বির হোসেন তালুকদার এবং সহকারী মহাব্যবস্থাপক ও কার্ড মার্কেটিং প্রধান মো. আসাদুল্লাহ খান উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় দুই প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

 তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম 

আজও ধরা পড়েননি ‘পিচ্চি রাজা’, জড়িত দুই পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আজও ধরা পড়েননি ‘পিচ্চি রাজা’, জড়িত দুই পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার

ছবি যোগফল

ঘটনাটি তদন্তে গঠিত পর্যবেক্ষণ কমিটি বলছে, জিজ্ঞাসাবাদে সাময়িক বরখাস্ত পাঁচ পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে এখনো ঘটনার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ও সন্তোষজনক তথ্য পাওয়া যায়নি।

নিজস্ব প্রতিনিধি:

গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে নেওয়ার পথে পুলিশের কাছ থেকে পালিয়ে যাওয়া রাজা ওরফে পিচ্চি রাজাকে (৩০) বিগত সাত দিনেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এদিকে তার পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় দায়িত্বে থাকা সাময়িক বরখাস্ত পাঁচ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পালিয়ে যাওয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে শনিবার দুই পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি তিনজনকেও নজরদারিতে রাখা হয়েছে। 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপ পরিদর্শক এসআই (এবি) প্রবীর কুমার ও প্রিজন ভ্যানের চালক নায়েক কামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ঘটনাটি তদন্তে গঠিত পর্যবেক্ষণ কমিটি বলছে, জিজ্ঞাসাবাদে সাময়িক বরখাস্ত পাঁচ পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে এখনো ঘটনার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ও সন্তোষজনক তথ্য পাওয়া যায়নি। এমনকি আসামি যে স্থান থেকে পালিয়ে গেছেন বলে প্রথমে বলা হয়েছিল, সেটিও সঠিক নয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

পালানোর স্থান নিয়েও সাময়িক বরখাস্তকৃত পুলিশ সদস্যরা একেক সময় একেক ধরনের তথ্য দিচ্ছেন। ওই পাঁচ পুলিশ সদস্য একেক সময় একেক ধরনের তথ্য দেওয়ায় আসামি ঠিক কোথা থেকে পালিয়েছেন, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। তবে পুলিশ এরমধ্যে প্রাথমিক ভাবে নিশ্চিত হয়েছে পিচ্চি রাজাকে ঢাকার তাতিবাজার এলাকা থেকে পালিয়েছে।

ঘটনার পর্যবেক্ষণ কমিটির প্রধান গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (সিটি এসবি) মোহাম্মদ মহিউল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সাময়িক বরখাস্ত পাঁচ পুলিশ সদস্যকে বিভিন্নভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কিন্তু তারা সঠিক কোনো তথ্য দিচ্ছেন না। আসামি কোন স্থান থেকে পালিয়ে গেছে, তা নিয়েও তারা একেক সময় একেক কথা বলছেন। যে স্থান থেকে পালিয়ে যাওয়ার কথা বলা হচ্ছে, সেটিও সঠিক নয় বলে আমরা জানতে পেরেছি।

পর্যবেক্ষণ কমিটির অপর সদস্য কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইফতেখার হোসেন বলেন, প্রিজনভ্যান কারাগার থেকে আদালত এবং আদালত থেকে কারাগার এর মধ্যে কোথাও থামার সুযোগ নেই। বড় বিপদ হলে নিকটবর্তী থানায় থামাতে হবে। কিন্তু তারা (প্রিজনভ্যানের সঙ্গে থাকা দায়িত্বরত পুলিশ) যে স্থানে থামানোর কথা বলছে সেখানে থামানোর প্রশ্নয় উঠে না।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ওই পাঁচ পুলিশ সদস্যেকে সাময়িক বরখাস্ত করে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আমাদের পর্যবেক্ষণের কাজ শেষ হলে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। এরপর বিভাগীয় মামলার কার্যক্রম শুরু হবে। 

পুলিশ ও কারাগার সূত্রে জানা গেছে, গত রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ৩০ আসামিকে ঢাকার আদালতে হাজিরা ও মামলার শুনানির জন্য নেওয়া হয়। আদালতের কার্যক্রম শেষে তাদের কাশিমপুর কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়ার পথে রাতে রাজা ওরফে পিচ্চি রাজা পুলিশের প্রিজনভ্যান থেকে কৌশলে শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলে পালিয়ে যান। এরপর থেকেই তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। তবে প্রায় সাত দিন পেরিয়ে গেলেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে প্রিজনভ্যানের সঙ্গে থাকা  এসআই (এবি) প্রবীর কুমার, কনস্টেবল মো. জাকির হোসেন , কনস্টেবল মো. সাকিব , কনস্টেবল শাকিল হোসেন,  প্রিজন ভ্যানের চালক নায়েক কামাল হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে ঘটনার পর্যবেক্ষণ কমিটি।
তাদের মধ্য থেকে পিচ্চি রাজাকে পালিয়ে যাওয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে উপ পরিদর্শক এসআই (এবি) প্রবীর কুমার ও প্রিজন ভ্যানের চালক নায়েক কামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, আসামি পালানোর প্রকৃত স্থান, কীভাবে তিনি পুলিশের হেফাজত থেকে বের হয়ে গেলেন এবং দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের ভূমিকা এসব বিষয় এখন গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে পাঁচ পুলিশ সদস্যের বক্তব্যের অসঙ্গতিও যাচাই করা হচ্ছে। রাজা ওরফে পিচ্চি রাজাকে গ্রেপ্তারে গাজীপুর ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তবে সাত দিন হয়ে গেলেও তাঁর অবস্থান নিশ্চিত করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

গোয়েন্দা পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) সাহেব আলী পাঠান গণমাধ্যমকে জানান, একেক পুলিশ একেক তথ্য দিলেও প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছি সে ঢাকার তাতিবাজার থেকে পালিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছি ঘটনার সঙ্গে তারা জড়িত রয়েছে। আমরা দুই পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তারও করেছি। 

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১৯ মে ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে রাজা ওরফে পিচ্চি রাজাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি ওই এলাকার শীর্ষ মাদক কারবারিদের একজন। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

যোগফল |অনলাইন |নিউজ ডেস্ক :

কটকায় পর্যটকবাহী জাহাজে ডাকাতির চেষ্টা, বনরক্ষীদের গুলিতে পিছু হটল দস্যুরা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯:১২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কটকায় পর্যটকবাহী জাহাজে ডাকাতির চেষ্টা, বনরক্ষীদের গুলিতে পিছু হটল দস্যুরা

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিকেদক: 

পূর্ব সুন্দরবনের কটকা অভয়ারণ্য এলাকায় পর্যটকবাহী জাহাজে ডাকাতির চেষ্টা করেছে বনদস্যুরা। এ সময় বনরক্ষীদের গুলিতে দস্যুরা পালিয়ে যাওয়ায় তাদের সেই চেষ্টা পণ্ড হয়ে যায়।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের কটকা খালের সাগর মোহনায় নোঙর করে রাখা পর্যটকবাহী জাহাজ ‘দ্য ওয়েভ ২’-এ ডাকাতির চেষ্টা চালানো হয়।

সুন্দরবনের কটকা অভয়ারণ্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তানভির হাসান ইমরান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, শনিবার রাতে অজ্ঞাতপরিচয় একটি বনদস্যু দলের সদস্যরা ইঞ্জিনচালিত একটি ট্রলারে করে কটকা খালের সাগর মোহনায় নোঙর করা ‘দ্য ওয়েভ ২’ জাহাজের দিকে এগিয়ে আসছিল। বিষয়টি সাগরে থাকা জেলেদের নজরে পড়লে তারা তাৎক্ষণিক মোবাইল ফোনে বন বিভাগকে খবর দেন।

খবর পেয়ে বনরক্ষীরা দ্রুত নিজেদের বোট নিয়ে দস্যুদের ধাওয়া করেন। একপর্যায়ে দস্যুদের লক্ষ্য করে চার রাউন্ড গুলি ছোড়েন বনরক্ষীরা। গুলির মুখে দস্যুরা ট্রলারের গতিপথ ঘুরিয়ে দ্রুত সাগরের দিকে পালিয়ে যায়।

বর্তমানে ‘দ্য ওয়েভ ২’সহ অপর পর্যটকবাহী জাহাজ ‘আরালসী’ কটকা এলাকায় নিরাপদে অবস্থান করছে। জাহাজ দুটিতে দেশি-বিদেশি মিলিয়ে মোট ৯৭ জন পর্যটক রয়েছেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, কটকায় পর্যটকবাহী জাহাজের দিকে বনদস্যুদের আসার ঘটনা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। এর আগে এমন ঘটনা ঘটেনি।

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি সুন্দরবনে বনদস্যুদের অপতৎপরতা বেড়েছে। তারা জেলেদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করছে। দস্যুদের দমনে সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের রাত্রিকালীন টহল জোরদার ও চালু করা জরুরি।

  তুলি আক্তার/অনলাইন ডেস্ক/ যোগফল. কম 

সাঁথিয়ায় শিবির ও ছাত্রদল কর্মীদের সংঘর্ষ, আহত ৩, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩:২৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাঁথিয়ায় শিবির ও ছাত্রদল কর্মীদের সংঘর্ষ, আহত ৩, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

আহতদের ছবি

এম এ হাই |সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি :

পাবনার সাঁথিয়ায় শিবির ও ছাত্রদল কর্মীদের মারপিটের ঘটনায় ৩ জন আহত, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন। শনিবার (৩ অক্টোবর) সধ্যায় সাঁথিয়া পেট্রোলপাম্পে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিক্ষোভ মিছিল ও হামলার বিচার দাবিতে সাঁথিয়ায় জামাতশিবির একটি বিক্ষোভ মিছিল করে। উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে শিবির সমর্থক আতিক ফকির এবং সাঁথিয়া পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের ছাত্রদলোর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম ও জিহাদ মল্লিক সাঁথিয়া পেট্রোল পাম্পে মোটরসাইকেলে পেট্রোল তুলতে যায়। এ সময় তাদের মধ্যে হাতাহাতি- মারপিট, হাতুড়ি ও খুরের  আঘাতের  ঘটনায় তিনজন আহত হয়। আহতরা সাঁথিয়া  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়। এ সময় আতিক ফকিরকে হাতুরি দিয়ে মারধর করে আহত করার অভিযোগ এনে জড়ো হয় জামায়াত-শিবির কর্মী সমর্থকরা। পরে রাত সাড়ে ৮ টার দিকে সাঁথিয়া পৌর সদরের গার্লস স্কুলের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে নেতাকর্মীরা। মিছিল শেষে পৌর সদরের তিনমাথা মোড়ে একটি পথসভায় জামায়াত ও অঙ্গসংগঠনের পৌর জামায়াত নেতা নজরুল, উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি তাজুল ইসলাম, জেলা শিবির নেতা শিখন মোল্লা ও সাদ্দাম ফকিরসহ কয়েকজন নেতা বক্তব্য দেয়। 

 একই ঘটনায় পাল্টা অভিযোগ এনে প্রতিবাদ ও বিচার দাবিতে থানায় অবস্থান নেয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পৌর সদরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

 সাঁথিয়া পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. জীবন অভিযোগ করে বলেন, শাহ আলম ও জিহাদ নামে আমাদের দুই ছাত্রদল কর্মী। তারা পাম্পে তেল আনতে গেলে শিবিরকর্মী আতিক ফকির তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলা মারধর করে তাদের জখম করে। তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে গেলে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা দলবদ্ধভাবে সেখানেও তাদের ওপর হামলা চালাতে গেলে প্রাণ বাঁচাতে ছাত্রদল নেতারা ওখান থেকে প্রস্থান করে। এ ঘটনায়  থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। 

 পাল্টা অভিযোগ করেছে জামায়াত শিবির নেতাকর্মীরা। জেলা ইসলামী ছাত্র শিবিরের সমাজসেবা সম্পাদক শিখন মোল্লা জানান, আতিক ফকির শিবিরের একজন সমর্থক। সে পাম্পে তেল নিতে গেলে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা তার ওপর হামলা চালিয়ে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। তার মাথায় ছয়টা সেলাই দেয়া হয়েছে। বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভায় এ ঘটনায় নিন্দা জানানো হয়েছে। থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনার বিচার হওয়া প্রয়োজন।

এ ব্যাপারে সাঁথিয়া থানার ওসি আনিসুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থল থেকে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে।  যাচাই-বাছাই চলছে।
এ ঘটনায় জামায়াত শিবিরের শোডাউনে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। উভয়পক্ষই লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

যোগফল | অনলাইন | নিউজ ডেস্ক